বিশ্ব হাতি দিবসের আলোচনা: উত্তরবঙ্গে সঙ্কুচিত হচ্ছে বন! অবরুদ্ধ করিডোরে বাড়ছে মানুষ-হাতির সংঘাত


হাতি শুধু একটি বৃহৎ বন্যপ্রাণী নয়, তারা বনজ বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্ব হাতি দিবসে উত্তরবঙ্গের অরণ্যের হস্তিসমাচার জানালেন অরুণ কুমার

১২ আগস্ট বিশ্ব হাতি দিবস। ২০১২ সালে কানাডীয় সংরক্ষণকর্মী প্যাট্রিশিয়া সিমস এবং থাইল্যান্ডের Elephant Reintroduction Foundation-এর উদ্যোগে এই দিবসের সূচনা। হাতির অস্তিত্বের সংকট, আবাসস্থল ধ্বংস, চোরাশিকার এবং মানুষ-হাতির সংঘাত সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা তৈরি করাই এই দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য— “Bringing the world together to help elephants”, অর্থাৎ হাতিদের সাহায্য করতে বিশ্বকে একত্রিত করা।

কিন্তু হাতিকে বাঁচানোর প্রশ্নটি কেবল একটি আন্তর্জাতিক দিবসের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়। ভারতের উত্তরবঙ্গে এই প্রশ্নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বন, কৃষি, রেলপথ, চা-বাগান, বসতি এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ভবিষ্যৎ।

ডুয়ার্স, তরাই, জলদাপাড়া, বক্সা, গোরুমারা ও মহানন্দা-সংলগ্ন বনাঞ্চল বহুদিন ধরেই হাতির বিচরণক্ষেত্র। এক বনাঞ্চল থেকে অন্য বনাঞ্চলে যাওয়ার জন্য হাতির যে প্রাকৃতিক চলাচলের পথ, সেই করিডোরগুলিই তাদের টিকে থাকার অন্যতম শর্ত। কিন্তু জনবসতি, কৃষিজমি, সড়ক, রেলপথ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর চাপে সেই পথ ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে।

ফলে যে সংঘাতকে আমরা অনেক সময় ‘লোকালয়ে হাতির ঢুকে পড়া’ বলে দেখি, তার পেছনে রয়েছে আরও জটিল একটি বাস্তবতা—মানুষের বসতি ও পরিকাঠামো অনেক ক্ষেত্রে হাতির ঐতিহ্যগত চলাচলের এলাকার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

নতুন গণনায় ভারতের হাতি: উত্তরবঙ্গের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট

ভারতে হাতির সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। ২০২১ থেকে মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত পরিচালিত দেশের প্রথম DNA-ভিত্তিক সমন্বিত হাতি গণনার ফল প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালে। নতুন পদ্ধতিতে ভারতের বন্য হাতির সংখ্যা আনুমানিক ২২,৪৪৬টি বলে হিসাব করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের প্রচলিত পদ্ধতির গণনায় এই সংখ্যা ছিল ২৯,৯৬৪। তবে দুই গণনায় ব্যবহৃত পদ্ধতি আলাদা হওয়ায় এই দুই সংখ্যাকে সরাসরি তুলনা করে হাতির সংখ্যা কমেছে বা বেড়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। নতুন DNA-ভিত্তিক গণনাকে ভবিষ্যৎ পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নতুন baseline হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই নতুন হিসাবের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে মোট ৭০৭টি হাতির আনুমানিক উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গে ৬৭৬টি এবং দক্ষিণবঙ্গে ৩১টি।

অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের হাতি সংরক্ষণের প্রশ্নে উত্তরবঙ্গের গুরুত্ব কতটা, এই পরিসংখ্যান তা স্পষ্ট করে দেয়। তাই উত্তরবঙ্গের বন, করিডোর এবং হাতির চলাচলের এলাকা রক্ষা করা শুধু স্থানীয় সংরক্ষণ নয়—পুরো রাজ্যের elephant conservation-এর অন্যতম প্রধান শর্ত।

করিডোর: হাতির জীবনরেখা

হাতির জন্য বন মানে শুধু খাবার ও আশ্রয়ের জায়গা নয়। তাদের প্রয়োজন এক বনাঞ্চল থেকে অন্য বনাঞ্চলে নিরাপদে যাওয়ার পথ। এই প্রাকৃতিক চলাচলের পথই হাতির করিডোর।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ২৬টি হাতি করিডোর চিহ্নিত হয়েছে— দেশের রাজ্যগুলির মধ্যে যা সর্বাধিক। এর উল্লেখযোগ্য অংশ উত্তরবঙ্গে।

জলদাপাড়া, বক্সা, গোরুমারা ও মহানন্দা-সহ বিভিন্ন বনাঞ্চলের মধ্যে হাতির চলাচল বজায় রাখতে এই করিডোরগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বহু জায়গায় সেই পথের ওপর তৈরি হয়েছে বসতি, কৃষিজমি, রাস্তা, রেললাইন কিংবা অন্যান্য পরিকাঠামো।

করিডোর সংকুচিত বা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে হাতির সামনে স্বাভাবিক চলাচলের বিকল্প কমে যায়। তখন তারা মানুষের বসতি, চাষের জমি কিংবা রেলপথের মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চলে আসতে পারে।

তাই মানুষ-হাতি সংঘাতকে শুধু ‘হাতির সমস্যা’ হিসেবে দেখলে সমাধানের পথও সংকীর্ণ হয়ে যায়। এটি একই সঙ্গে ভূমি ব্যবহার, বন সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রশ্ন।

বন আছে, কিন্তু খাবার আছে তো?

হাতি তৃণভোজী প্রাণী। তাদের বিপুল পরিমাণ উদ্ভিদজাত খাদ্যের প্রয়োজন হয়। বনাঞ্চলের ঘাস, বাঁশ, লতাগুল্ম, পাতা, গাছের ছাল ও ফল তাদের খাদ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কিন্তু আবাসস্থল খণ্ডিত হলে শুধু বনের আয়তন কমে না— বদলে যায় খাদ্যের প্রাপ্যতাও। বনাঞ্চলে স্বাভাবিক খাদ্যের বৈচিত্র্য কমে গেলে হাতি বিকল্প খাদ্যের সন্ধানে বন সংলগ্ন কৃষিজমির দিকে যেতে পারে।

ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলের ধান, ভুট্টা, কলা কিংবা অন্যান্য ফসল হাতির কাছে সহজলভ্য খাদ্য হয়ে ওঠে। একবার কোনো এলাকায় পর্যাপ্ত খাবার পাওয়া গেলে হাতির দল সেই এলাকায় বারবার ফিরে আসতে পারে। তখন কৃষকের ফসলের ক্ষতি, মানুষের আতঙ্ক এবং হাতির সঙ্গে মানুষের সংঘাত—তিনটিই বাড়ে।

সুতরাং হাতি সংরক্ষণ মানে শুধু বনের আয়তন ধরে রাখা নয়। বনের ভেতরে হাতির জন্য পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য ও জলও নিশ্চিত করতে হবে।

রেলপথ: চলাচলের পথে আরেক বিপদ

উত্তরবঙ্গের হাতিদের জন্য রেলপথ একটি দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। ডুয়ার্স এবং উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন রেলপথ হাতির চলাচলের এলাকার মধ্য দিয়ে গেছে। দ্রুতগতির ট্রেনের ধাক্কায় অতীতে একাধিক হাতির মৃত্যুও ঘটেছে।

এই পরিস্থিতিতে বন দফতর, রেল এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ। হাতির চলাচলের এলাকায় ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের সতর্কতা, নজরদারি এবং আগাম হাতির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার মতো ব্যবস্থা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে পারে।

কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হল—রেলপথের পরিকল্পনা এবং হাতির করিডোর সংরক্ষণকে একই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ করা।

বিদ্যুতের তারও হতে পারে মৃত্যুফাঁদ

মানুষের ফসল রক্ষার জন্য তৈরি অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগ বা অনিরাপদ বৈদ্যুতিক পরিকাঠামোও হাতির জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

হাতির বিশাল শরীর এবং চলাচলের ধরন তাদের বৈদ্যুতিক ফাঁদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। তাই বন সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ বৈদ্যুতিক বেড়া বা সংযোগের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

সংঘাতে শুধু হাতিই মরে না

মানুষ-হাতি সংঘাতের সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিক হল— দুই পক্ষই এর শিকার হয়।

হাতির আক্রমণে মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আবার আতঙ্কিত মানুষের প্রতিরোধে হাতিরও মৃত্যু হয়। বিশেষ করে রাতে কোনো হাতির দল গ্রামে ঢুকে পড়লে মানুষ অনেক সময় চিৎকার, আলো, আগুন বা শব্দ করে তাদের তাড়ানোর চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়।

শাবককে ঘিরে থাকা হাতি কিংবা হঠাৎ মানুষের খুব কাছে চলে আসা হাতি আত্মরক্ষামূলকভাবে আক্রমণ করতে পারে। তাই হাতি দেখা গেলে ভিড় করা, কাছে যাওয়া, ছবি তুলতে এগিয়ে যাওয়া, পাথর ছোড়া কিংবা উত্তেজিতভাবে তাড়া করা বিপজ্জনক।

এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানুষকে দ্রুত বন দফতরকে খবর দেওয়া এবং প্রশিক্ষিত দলকে পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ দেওয়া জরুরি।

মানুষকে বাদ দিয়ে হাতি সংরক্ষণ সম্ভব নয়

হাতি সংরক্ষণ শুধু বন দফতরের দায়িত্ব নয়। উত্তরবঙ্গের বন সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে এই সংরক্ষণ ব্যবস্থার সক্রিয় অংশীদার করতে হবে।

দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল, স্থানীয় নজরদারি, সচেতনতা কর্মসূচি, ক্ষতিপূরণ দ্রুত পৌঁছে দেওয়া এবং বন দফতরের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের নিয়মিত যোগাযোগ—এই ব্যবস্থাগুলি সংঘাত কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

একই সঙ্গে প্রয়োজন স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া। কোন পথে হাতির দল যায়, কখন যায়, কোন এলাকায় বেশি আসে—এই স্থানীয় জ্ঞান অনেক সময় প্রশাসনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হয়ে উঠতে পারে।

হাতি বাঁচলে বাঁচে বনও

হাতি শুধু একটি বৃহৎ বন্যপ্রাণী নয়; তারা বনজ বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। Ecologist-রা হাতিকে প্রায়ই ‘ecosystem engineer’ বলে থাকেন।

হাতির চলাচল বনভূমির উদ্ভিদবিন্যাসে পরিবর্তন আনে। তারা বিভিন্ন উদ্ভিদের বীজ খেয়ে দূরবর্তী এলাকায় ছড়িয়ে দিতে পারে। হাতির মলের সঙ্গে বেরিয়ে আসা বীজ নতুন জায়গায় অঙ্কুরিত হয়ে বন পুনর্জন্মে ভূমিকা রাখতে পারে।

অর্থাৎ হাতিকে রক্ষা করা মানে শুধু একটি মহিমান্বিত প্রাণীকে রক্ষা করা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বন, উদ্ভিদ, অন্যান্য প্রাণী এবং বৃহত্তর জীববৈচিত্র্যের ভবিষ্যৎ।

ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতিতেও হাতির উপস্থিতি বহু প্রাচীন। শিল্প, ধর্মীয় প্রতীক, লোককথা, রাজশক্তি ও ইতিহাসের নানা পর্বে হাতি মানুষের কল্পনা ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে থেকেছে। কিন্তু আধুনিক সময়ের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল—মানুষ কি সেই হাতির জন্য বাস্তবে যথেষ্ট জায়গা রেখে দিতে পারছে?

উত্তরবঙ্গের সামনে এখন যে প্রশ্ন

সাম্প্রতিক DNA-ভিত্তিক গণনায় উত্তরবঙ্গে ৬৭৬টি হাতির আনুমানিক উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা উত্তরবঙ্গের গুরুত্বকে সামনে আনে। একই সঙ্গে মনে করিয়ে দেয়—শুধু হাতির সংখ্যা জানা যথেষ্ট নয়; তাদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল, খাদ্য, জল এবং চলাচলের পথও নিশ্চিত করতে হবে।

করিডোর যদি ক্রমশ সংকুচিত হয়, বন যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং খাদ্যের সন্ধানে হাতিকে নিয়মিত লোকালয়ে ঢুকতে হয়, তাহলে মানুষ ও হাতি— দুই পক্ষের জন্যই ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠবে।

তাই উত্তরবঙ্গে এখন কয়েকটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি—

  • প্রথমত, হাতির করিডোর চিহ্নিত করে সেগুলিকে কার্যকরভাবে সুরক্ষিত রাখা।
  • দ্বিতীয়ত, বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক খাদ্য ও জলসম্পদের পুনরুদ্ধার করা।
  • তৃতীয়ত, রেলপথ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর পরিকল্পনায় হাতির চলাচলের পথকে গুরুত্ব দেওয়া।
  • চতুর্থত, অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অন্যান্য প্রাণঘাতী ফাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।
  • পঞ্চমত, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় মানুষের জন্য দ্রুত ও কার্যকর ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
  • ষষ্ঠত, বন দফতর, প্রশাসন এবং স্থানীয় মানুষের অংশীদারিত্বে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত-ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।

মানুষ ও হাতির সংঘাত হয়তো একেবারে শূন্যে নামিয়ে আনা বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু সংঘাতের মাত্রা কমানো সম্ভব। তার জন্য হাতিকে শুধু লোকালয় থেকে তাড়ানোর চিন্তা যথেষ্ট নয়; তাকে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার মতো বন ও চলাচলের পথও রাখতে হবে।

বিশ্ব হাতি দিবস তাই কেবল হাতিকে ভালোবাসার দিন নয়। এটি আমাদের উন্নয়ন, পরিবেশ এবং সহাবস্থানের ধারণাকে নতুন করে ভাবার দিন।

উত্তরবঙ্গের জঙ্গল, নদী, চা-বাগান ও গ্রাম ঘিরে যে সংঘাত তৈরি হয়েছে, তার সমাধান হাতিকে তাড়িয়ে নয়— তার চলাচলের পথ ফিরিয়ে দিয়ে।

কারণ হাতি বাঁচলে শুধু একটি মহিমান্বিত প্রাণী বাঁচবে না। বাঁচবে বন, বাঁচবে জীববৈচিত্র্য, আর শেষ পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে মানুষের নিজের ভবিষ্যৎও।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার:

বিমল দেবনাথ, আইএফএস , প্রাক্তন উপ বন সংরক্ষক।

লালসিং খাওয়াস, পরিবেশপ্রেমী, রাজাভাত খাওয়া।

পদ্মশ্রী পার্বতী বড়ুয়া হস্তিবিদ।

তথ্যসূত্র:

ভারতের প্রথম ডিএনএ-ভিত্তিক ও সর্বভারতীয় সমন্বিত হাতি শুমারি রিপোর্ট (SAIEE 2021-25)। ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, বন ও পরিবেশ মন্ত্রক ভারত সরকার।

Feature image is representational and collected.

লেখক পরিচিতি: অরুণ কুমার। প্রবীণ সাংবাদিক। সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত। ইকো ট্যুরিজম নিয়ে বিশেষ আগ্রহ। উত্তরবঙ্গের পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্সের আনাচকানাচে নিজের হাতের তালুর মতোই চেনেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nagariknewz.com