নেতাজিকে নিয়ে খারাপ কথা বললে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে, কোন‌ও যদি-কিন্তু নয়


কারিগরি বিষয়ে রাজবংশীদের দক্ষতা সহজাত। রাজবংশী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে খুব ভাল মানের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-টেকনোক্রেট-ব্যুরোক্রেট বেরোচ্ছে। উত্তরবঙ্গের সেরা কার্ডিয়োলজিস্টদের একজন রাজবংশী সম্প্রদায়ের। যে উন্নতির ধারা রাজবংশী সমাজে শুরু হয়েছে, তা আর‌ও ঊর্ধ্বগামী হবে কালের নিয়মেই। মানব সভ্যতায় প্রগতির সোপান মেধা ও দক্ষতা— যা রাজবংশী জনগোষ্ঠীর মানুষ অধিগত করে ফেলেছেন। নগেন্দ্র রায়ের মতো অশিক্ষিত, মেগালোম্যানিয়াক, ধান্ধাবাজ নেতার কোন‌ও প্রয়োজন নেই রাজবংশীদের। যে নিজেকে বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের মালিক বলে দাবি করে, তার মানসিক অসুস্থতা নিয়ে কোন‌ও সন্দেহ থাকতে পারে?

ভোটের স্বার্থের নগেন্দ্রর মতো একটা মেধাহীন, কান্ডজ্ঞানশূন্য ধান্ধাবাজকে বড় নেতা বানিয়েছে বিজেপি-তৃণমূল দুই দল‌ই। ওর যে আজকে এত ধন-সম্পদ, তার পেছনেও আছে দুই দলের আশীর্বাদ। সত্য তিতা হলেও বলা দরকার। সবথেকে বড় কথা লোকটা সাইকোপ্যাথ। একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি একটা সম্প্রদায়ের নেতা হতে পারে নাকি? নেতা হ‌ওয়ার জন্য সবার আগে প্রয়োজন কঠোর বাস্তবতাবোধ।

নেতাজিকে অকারণে অসম্মান করে নগেন্দ্র রায় নিজেই নিজের রাজনৈতিক কবর খুঁড়ল। বিজেপি তো ওকে ঘাড় থেকে নামানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। কেননা নগেন্দ্রর মতো মাথামোটা লোক কোন‌ও দলে থাকলে সেই দলের সর্বনাশের জন্য বিপক্ষ দলের লোকের দরকার পড়ে না। নেতাজি সম্পর্কে নগেন্দ্র যে কথা বলে‌ ফেলেছে তারপরে তৃণমুল, কংগ্রেস কিম্বা বাম— কোন‌ও দল আর তার পাশে দাঁড়াবে না। Nagendra is now a political pariah- নগেন্দ্র এখন একটি রাজনৈতিক অচ্ছুত।

নেতাজিকে নিয়ে কুকথা বলার পর নগেন্দ্র রায় একটি রাজনৈতিক অচ্ছুতে পরিণত হয়েছে। কোন‌ও দল‌ই ওকে ছোঁবে না। ফটো: এন‌এনডিসি।

ক্রম অগ্রসরমান রাজবংশী সমাজের জন‌্য সাইকোপ্যাথ নগেন্দ্র যে একটা বোঝা, এটা রাজবংশী সমাজের মানুষ‌ও এই কয়দিনে উপলব্ধি করতে পেরেছেন। সামাজিক মাধ্যমে সেই প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতাজির অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করায় ওনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। নগেন্দ্র রায়ের মতো বিপজ্জনক একজনকে ডেকে নিয়ে ‘বঙ্গবিভূষণ’ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন দিয়েছিলেন, তা আমরা বুঝি। নগেন্দ্রর মাথা থেকে ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান কেড়ে নিয়েছে রাজ্য সরকার। খুব ভাল কাজ করেছে রাজ্য। যার মাথায় গু ঢালা উচিত, ভোটের স্বার্থে তাকে কিনা বঙ্গবিভূষণ!

সরকারের তরফে বদমাইশ নগেন্দ্রর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণে একটু বিলম্ব হয়তো হল, কিন্তু তাতে নগেন্দ্র ও তার চ্যালাদের বাড়বাড়ন্তটা আর‌ও বেশি করে চোখে‌ পড়ল। একটা কথা নগেন্দ্র রায় ও তার দলের গান্ডু সদস্যরা ভাল করে মগজে ঢুকিয়ে নিক— নেতাজিকে অসম্মান করলে পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই ভারতেও জায়গা হবে না তোমাদের। দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে অসম্মান করে‌ কথা বললে মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে— নো ইফস, অ্যান্ডস, অর বাটস।

Feature image is representational and collected.


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nagariknewz.com