লাশের অঙ্গ চুরি করে রেঁধে খেত! হাসপাতালের পরিবহণকর্মীকে গ্রেফতার করল হাঙ্গেরির পুলিশ

লাশের অঙ্গ চুরি করে রেঁধে খেত! হাসপাতালের পরিবহণকর্মীকে গ্রেফতার করল হাঙ্গেরির পুলিশ


যুবকটির অ্যাপার্টমেন্ট থেকে হাড়গোড়, মাথার খুলি, যকৃত, হাত-পায়ের অংশ এবং হৃৎপিণ্ড সহ মানুষের একাধিক দেহাংশ উদ্ধার করেছেন হাঙ্গেরির ‘ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন’-এর সদস্যরা। জেরায় নরমাংস খাওয়ার কথা স্বীকার করেছে ধৃত। হাসপাতালের রোগী পরিবহণ বিভাগে কাজের সুবাদে মর্গ থেকে লাশের দেহাংশ চুরি করে আনত ওই যুবক। যখন এই সুযোগ হাতছাড়া হত, তখন সে চলে যেত পার্শ্ববর্তী স্লোভাকিয়ায়। সেখানকার কবরখানা থেকে দেহাংশ চুরি করে বাড়িতে আনত এই পিশাচ।

স্যুটকেসে, জারে দেহাংশগুলি সংরক্ষণ করত যুবকটি। খিদে পেলে রান্না করে খেত সেসব। জেরার মুখে ধৃত হাসপাতাল কর্মচারী তদন্তকারী আধিকারিকদের জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতি তার আকর্ষণ রয়েছে। এ সব দেখতে ও সংরক্ষণ করতে সে ভালবাসে এমনকি দেহাংশ রান্না করে খেতেও তার ভালোই লাগে। ধৃত যুবকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হ‌ওয়া দেহাংশগুলি কোন কোন মৃত ব্যক্তির, পুলিশ তা ফরেন্সিক অনুসন্ধান করে জানার চেষ্টা করছে।

নরমাংস ভোজী ওই যুবকের অ্যানাটমি ও প্যাথোলজি নিয়ে আগ্রহের কথা জানতে পেরেছে পুলিশ। শব ব্যবচ্ছেদ দেখতেও সে ভালবাসে। লাশের দেহাংশ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ নিয়ে যুবকটির কোন‌ও লুকোছাপা ছিল না। এই বিকৃত শখের বিষয়টি সে ফলাও করে পরিবারের লোকজন ও বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করত। সংগৃহীত দেহাংশগুলির ফটো তুলে রাখত সে। তদন্তের স্বার্থে যুবকটির ব্যবহৃত মোবাইল, ল্যাপটপ, ক্যামেরা সহ সকল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করেছে ‘ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন’।

তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত জারি আছে। যুবকটির তার বিকৃত শখ পূরণ করতে কত দিন ধরে কোন কোন উপায়ে মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করত, সে বিষয়টি জানতে অনুসন্ধান চলছে। মানুষ বিচিত্র জীব। মানুষের রুচিও বিচিত্র। কখনও কখনও তা যে রুচির বিকারে পরিণত হয়, হাঙ্গেরিয় যুবকের নরমাংস খাওয়া তার প্রমাণ।

Feature graphic is representational and AI generated.


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *