ডেস্ক রিপোর্ট: সামাজিক মাধ্যমের অপব্যবহার রুখতে কঠোর হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইনস্টাগ্রামের বিজ্ঞাপনে শিশুদের যৌন বিষয়বস্তু করা হচ্ছে, এই অভিযোগ সামনে আসার পরেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক- এই দুই জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমই মেটার নিয়ন্ত্রণে। ইনস্টাগ্রাম থেকে আপত্তিকর বিজ্ঞাপন সরাতে ৭ দিন সময় বেঁধে দিল সরকার।
সম্প্রতি বিবিসি-র একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনস্টাগ্রামে পেইড বা অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপনে ‘রেপ ভিডিয়ো’ ও ‘চাইল্ড ভিডিয়ো’-র মতো নোংরা শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে। এইসব বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করলেই টেলিগ্রামের মতো চ্যানেল ওপেন হয়ে যাচ্ছে এবং নিষিদ্ধ কন্টেন্ট দেখা যাচ্ছে। ৯৯ টাকার বিনিময়ে এই ধরণের বেআইনি কন্টেন্ট কিনতে পারছেন গ্রাহকেরা।
সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধের মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে বাধ্য সামাজিক মাধ্যমগুলি। এই নিয়ম মানলে যথাযথ যাচাই প্রক্রিয়া পেরিয়ে শিশুদের যৌন হয়রানি মূলক কোনও বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রামের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হওয়ারই কথা নয়। বিবিসির প্রতিবেদন সম্প্রচারিত হওয়ার পরেই কেন্দ্রের তরফে মেটার কাছে জানতে চাওয়া হয়, কীভাবে এই ধরনের বাজে বিজ্ঞাপনে অনুমোদন দিচ্ছে তারা?
শনিবার তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক মেটাক নির্দেশ দিয়েছে, ৭ দিনের মধ্যে সমস্ত আপত্তিজনক বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলতে হবে। এ খানেই থেমে থাকে নি কেন্দ্র। কীভাবে মেটা এতবড় গাফিলতি করল, সেই ব্যাখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট ৭ দিনের মধ্যে সরকারের ঘরে জমা দিতে মেটাকে নির্দেশ দিয়েছে অশ্বিনী বৈষ্ণবের দফতর। মেটার ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ২০১২-র পকসো আইনে মামলা দায়ের করার কথাও ভেবে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
Feature image is representational.