চা নিয়েই তপস্যা সুতপার,সুতপার চায়ের ভুবন TTown-এ আপনাকে স্বাগত


প্রচারমূলক প্রতিবেদন : বাঙালিকে চা চিনিয়েছিল ইংরেজরা। এরপর চা বাঙালিকে ধরল। বাঙালি চা’কে । ছাড়াছাড়ির আর গল্পই নেই। চা দুনিয়ার সবাই খায়। কিন্তু চায়ের পেয়ালায় তুফান তুলতে পারে একমাত্র বাঙালিই। রবীন্দ্রনাথ চা ভালবাসতেন। নিজেকে চেয়ো মাতাল বলতেও কুন্ঠিত ছিলেন না বীর সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ। বাঙালির অনেক কিছুই আর আগের মতো না থাকলেও একটুও ফিকে হয় নি কেবল চায়ের প্রতি প্রেম।‌ অনেকের কাছেই চা নেশা,পেশা এবং ভালবাসা। এ’রকম‌ই একজন সুতপা ঘোষ দত্ত। ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা। করেন শিক্ষকতা। কিন্তু ভালবাসেন চা পান করতে এবং অন্যকে চা পান করাতে। তরাই-ডুয়ার্স-দার্জিলিং পাহাড়কে বলা হয় চায়ের দেশ। কলকাতার মেয়ে হলেও বাসা বেঁধেছেন শিলিগুড়িতে। চায়ের মায়ায় পড়ে চায়ের দেশেই রয়ে গেলেন সুতপা। চা নিয়ে চর্চায় কোন‌ও ক্লান্তি নেই সুতপার। একবার চায়ের চক্করে পড়লে কেই বা সহজে ছাড়া পায়! চায়ের চরিত্র তো শুধু দুধ-চা কিম্বা লাল-চাতেই সীমাবদ্ধ নয়।‌ অথবা চা মানেই কেবল ডুয়ার্স-দার্জিলিং-আসাম টি নয়। চায়ের অনেক গোপন রহস্য‌ই আজ ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে। চায়ের প্রেমে মজে নতুন নতুন ভাবে চা’কে চিনছেন এবং চেনাচ্ছেন সুতপা ঘোষ দত্ত।

চায় পে চর্চায় কোনও ক্লান্তি নেই সুতপার ।

চেনা চা’ই যে এখনও কত অচেনা সেটাই মানুষকে বোঝাতে চান সুতপা। এই জন্যই খুলেছেন নিজের একটি প্রতিষ্ঠান – টি টাউন ( TTown )। মানুষ ভাল চা খেতে চান। কিন্তু পান না। দার্জিলিঙে উৎপাদিত সর্বোৎকৃষ্ট চা, যা গুণ-মান এবং স্বাদে অতুলনীয় অধিকাংশই চলে যায় বিদেশে। যেটুকু স্থানীয় বাজারে পড়ে থাকে তা দামে সাধারণের নাগালের বাইরে। চাপ্রেমী সাধারণ মানুষের কাছে উৎকৃষ্ট, উন্নত এবং গুণমানে সমৃদ্ধ দার্জিলিং চা তুলে দিতেই নিজে প্রতিষ্ঠান গড়েছেন সুতপা ঘোষ দত্ত। সুতপার মোটো – মার্জিন কম রেখে কম দামে মানুষের হাতে ভাল চা তুলে দেওয়া। ওনার কাছে চা বিক্রি যতটা না ব্যবসা তার চেয়ে বেশি ভালবাসা। মানুষকে চা চেনাতে চান । মানুষের কাছে চায়ের অজানা রহস্য উন্মোচন করতে চান সুতপা। দার্জিলিং চায়ের অনেক ভ্যারাইটি । ছোটবেলা থেকেই চাবাগান ঘুরতে ভালোবাসেন সুতপা ঘোষ দত্ত। ছোটবেলায় দাদুর হাত ধরে বাগানে বাগানে ঘুরতেন। এখন দার্জিলিঙের বাগানে বাগানে ঘুরে নিজে হাতে নানা ভ্যারাইটির চা সংগ্রহ করেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই – মানুষকে সব রকম চায়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

চাইলে যে কেউ ঘরে বসেই টি টাউন থেকে চা পেতে পারেন। ফোনে বা মেলে অর্ডার করলেই হল। ক্যুরিয়ার চা পৌঁছে দেবে দরজায়। যাকে বলা যায় দুয়ারে চা। বাংলা তো বটেই বাংলার বাইরেও অন্যান্য প্রদেশের মানুষ‌ও ঘরে বসেই আসল দার্জিলিং চা পানের সুযোগ পাচ্ছেন সুতপার সৌজন্যে। সঙ্গে অন্যান্য ব্রান্ডের চাও আছে। যাঁরা চায়ের আসল সমঝদার তাঁদের কাছে ইতিমধ্যেই একটি ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করতে পেরেছে সুতপা ঘোষ দত্তের টি টাউন।

চা আমাদের জিভকে দেয় তৃপ্তি। দেহে আনে সতেজতা।

চা আমাদের জিভকে তৃপ্তি দেয়,শরীরে একটা সতেজ ভাব বা এনার্জি আনে। তাই আমরা দিনের শুরুটাই করি চা পান দিয়ে। কিন্তু চায়ের কেরামতি শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নেই। যত দিন যাচ্ছে চায়ের আরও অনেক গুনাগুণ ধরা পড়ছে। চা’কে বলা হচ্ছে অনবদ্য একটি ইমিউনিটি বুস্টার। অর্থাৎ চা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যে ধরণের চা ইমিউনিটি বুস্টার তার একটা দীর্ঘ তালিকা ও পরিচিতি আপনি পেয়ে যাবেন চা বিশেষজ্ঞ সুতপা ঘোষ দত্তের কাছে। দার্জিলিঙের অর্গানিক টি’র কদর এখন বিশ্বজোড়া। কিন্তু সার্টিফায়েড প্রকৃত অর্গানিক টি পাওয়া সহজ নয়। অর্গানিক চা বাগান হিসেবেই বিশেষভাবে সার্টিফায়েড এমন বাগান থেকে তোলা খাঁটি অর্গানিক চায়ের সন্ধান আপনাকে দিতে পারবেন সুতপা। দার্জিলিং অর্থোডক্স চায়ের ফার্স্ট ফ্লাস,সেকেন্ড ফ্লাস এবং অটাম ফ্লাস – সবকটিই পাওয়া যাচ্ছে সুতপা ঘোষ দত্তের টি টাউনে।

চা শুধু স্বাদে-গন্ধেই অতুলনীয় নয়,চা ইমিউনিটি বুস্টারও।

স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে আর গোপন নেই গ্রিন টি’র রহস্য। গ্রিন টি অমৃত তুল্য। গ্রিন টি’র আবার অনেক জাত-গোত্র আছে। সুতপার চায়ের ভাঁড়ারে আছে গুণমান সম্পন্ন নানা জাতের উৎকৃষ্ট গ্রিন টি। হোয়াইট টি, ওলং টি, রোস্টেড টি – সব গুলিই দুর্লভ এবং স্বাস্থ্যবর্ধক। কাজেই চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু পেয়ে যাবেন একবার সুতপার কাছে পৌঁছে যেতে পারলেই। ব্লেনডেড টি’র বৈচিত্রের রাজ্যে বিচরণ করতে চাইলে সুতপার টি টাউনের দরজায় নক করুন। তুলসী গ্রিন,লেমন গ্রাস, জেশমিন গ্রিন এবং মশলা সিটিসি সহ আরও অনেক ব্লেন্ডের স্টক নিয়ে বসে আছেন সুতপা। সুতপার স্পেশালিটি টি’র জগতটা কিন্তু এখানেই শেষ নয়। ব্লুমিং টি, গোল্ডেন টিপস এবং জেসমিন পার্ল- প্রত্যেকটিই নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যে অনন্য। আপনি চাইলেই আপনার পানপাত্র পূর্ণ করতে পারেন নানা গুণে ভরপুর এইসব বিশেষ চায়ে।

রোগ প্রতিরোধে ভাল ভূমিকা রাখছে সুতপার হিবিসকাস ইমিউনিটি বুস্টার টি।

করোনা অতিমারির এই সময়ে ইমিউনিটি বুস্টিং বা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। চা পান করেও ইমিউনিটি বুস্টিং সম্ভব। ‘হিবিসকাস ইমিউনিটি বুস্টার টি ( Hibiscus Immunity Booster Tea )‘ এমন‌ই একটি রোগ প্রতিরোধ বর্ধক চা। এবং এটা প্রাপ্তির একমাত্র ঠিকানা সুতপা ঘোষ দত্তের টি টাউন। বিশেষভাবে তৈরি এই অর্গানিক টি দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক বলে প্রমাণিত। অনেক চিকিৎসক‌ই নিয়মিত এই চা পান করতে পরামর্শ দিচ্ছেন রোগীদের।

আপনি চা-প্রেমিক হলে সুতপার চায়ের ভুবন কিন্তু আপনার জন্যই।

রোজ সকালে আপনার যদি ভাল চা চাই । চায়ের গন্ধে,বর্ণে,স্বাদে,রূপে এবং গুণে আপনি যদি মুগ্ধ একজন মানুষ হন। আপনি যদি চা’কে ইমিউনিটি বুস্টিং ড্রিঙ্ক হিসেবে পান করতে চান। তবে আপনার সামনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন চাপ্রেমী, চাবিশেষজ্ঞ সুতপা ঘোষ দত্ত। চা বিক্রি সুতপার কাছে যতটা না পেশা তার চেয়ে অনেক বেশি প্যাশন।

আপনি চা-রসিক হলে নিচের মেইল আইডি ও মোবাইল নম্বর আপনার কাজে লাগতে পারে-

প্রতিবেদক- অরুণকুমার।

  • Disclaimer-এখানে প্রচারিত বক্তব্য একান্তভাবেই চা বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোগী সুতপা ঘোষ দত্তের নিজস্ব। এর সঙ্গে nagariknewz.com-এর কোনও ধরণের সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরা চায়ের গুণাগুণ সম্পর্কে সুতপার মতামত তুলে ধরলাম মাত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published.