১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা একটা শক্তিশালী রাজনৈতিক দল নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসের মধ্যে ভ্যানিস! এ ভাবেও ইতিহাস গড়ল তৃণমূল। লিখেছেন উত্তম দেব-
রাজনীতিতে জয়-পরাজয় আছে। বিশেষ করে যে দেশে গণতন্ত্র কায়েম রয়েছে, সে দেশে ভোটে হারা কী আর এমন বড় ব্যাপার? স্যার উইনস্টন চার্চিলের মতো পর্বত তুল্য রাজনৈতিক চরিত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দেশের হয়ে অসাধারণ নেতৃত্ব দেওয়ার পরেও নির্বাচনে হেরেছিলেন এবং জিতে আবার ক্ষমতায় ফিরেও এসেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী সাতাত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বিধ্বস্ত হয়েছিলেন। তাঁকে তিন বছরও অপেক্ষা করতে হয় নি, জনতা ইন্দিরাকে মসনদ ফিরিয়ে দিয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পালাবদল হতে সময় লাগে বটে কিন্তু ক্ষমতায় অলিন্দে পরিবর্তন নতুন নয়।
যুদ্ধ, সেটা বুলেট কিংবা ব্যালট- যেটা দিয়েই হোক, পরাজয়ের মধ্যে গ্লানি আছে। পরাজিত পক্ষকে পরাজয়ের বেদনা ও অপমান সহ্য করতে হয়। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসকে হারিয়ে বামেরা, বামেদের হারিয়ে কংগ্রেস এবং বামেদের ৩৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছে। প্রত্যেকবার সরকার বদলের পর বাংলায় কিছু রাজনৈতিক অশান্তি, হিংসা হয়েছে। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ রাজনৈতিকভাবে উত্তেজনাপূর্ণ একটি রাজ্য, তাই নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা-প্রতিহিংসা প্রশাসনের পক্ষে সম্পূর্ণ প্রতিহত করা সম্ভব নয়। কিন্তু ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদলের ধাক্কায় রাজ্যের সদ্য ক্ষমতাচ্যুত দলের যে বেআব্রু অবস্থা, তা এক কথায় অভূতপূর্ব। সত্যি! আগে কখনও পশ্চিমবঙ্গে এমনটি দেখা যায় নি, এমনকি ২০১১ সালে তৃণমূলের কাছে ৩৪ বছরের রাজ্যপাট হাতছাড়া হওয়ার পরেও বাম শিবিরের এমন দৈন্যদশা চোখে পড়ে নি।
৪ মে-র পর থেকে কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার শুধু চোর চোর, ধর ধর আওয়াজ! ‘তৃণমূল মানেই চোর’- এই শব্দবন্ধ নিছক বিজেপি-বামেদের তৈরি করা ন্যারেটিভই নয়। এই ন্যারেটিভ বাংলার মানুষের বড় অংশ বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করেন এই কারণে যে ব্যাপারটা তারা চাক্ষুষ করেছেন। ক্ষমতা ও ভ্রষ্টাচার হাত ধরাধরি করে পাশাপাশি হাঁটে। ক্ষমতায় থাকতে সিপিএমের নেতাদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। আরও আগে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় নিজের ক্যাবিনেটের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে কমিশন বসিয়ে ছিলেন। কিন্তু সাতাত্তরে ক্ষমতা যাওয়ার পরেই কংগ্রেসের নেতা দেখলেই লোকজন চোর চোর বলে ডিম নিক্ষেপ করে নি। এগারোতে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেও বামফ্রন্টের নেতাদের চোর চোর শুনতে হয় নি।
সিপিএমের নেতৃত্বে বামফ্রন্ট ৩৪ বছর ক্ষমতায় ছিল। ক্ষমতার আয়ুষ্কাল যত দীর্ঘ, দুর্নীতি করার সুযোগ ততই লম্বা। স্বাভাবিকভাবেই বাম সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী, সাংসদ-বিধায়ক, চেয়ারম্যান-সভাধিপতি ও কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগের তালিকা অনেক লম্বা ও ক্ষোভ অনেক বেশি তীব্র হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ক্ষমতা হারানোর পর ক্ষিপ্ত জনগণ বাম নেতাদের ধরে ধরে ধোলাই দেয় নি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশও বাম নেতাদের বিরুদ্ধে তেমন কোনও গুরুতর অভিযোগ খুঁজে পায় নি।
তৃণমূল কংগ্রেস বামেদের অর্ধেক সময়ও ক্ষমতায় টিকতে পারে নি। কিন্তু ১৫ বছরে তৃণমূল কী এমন অপকর্ম করল, যার কারণে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে মানুষের মনে এত তীব্র ঘৃণা! সমাজে অনেক রকমের দুর্নীতি আছে। ক্ষমতাসীন দলের সামনে অনেক রকম দুর্নীতি করার সুযোগ থাকে। তবে কিছু দুর্নীতি আছে, যা সাধারণ মানুষ স্থূল চক্ষে দেখতে পান এবং তা জনগণকে সরাসরি আঘাত করে। আসলে অনিয়ম করারও একটা নিয়ম আছে, তৃণমূলের নেতারা যা মানেন নি। নিয়ম করে অনিয়মে সিপিএম ছিল সিদ্ধহস্ত। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস, যাকে বলে ‘বারো ভাতারি’, সেই টাইপের দল। দশ দল থেকে সবথেকে ধান্ধাবাজেরা এই দলে ঢুকেছে। ফিল্ম দুনিয়ার ধান্ধাবাজ হিরো-হিরোইন, চতুর বুদ্ধিজীবী, সেয়ানা নাট্যকার, তেলবাজ সাহিত্যিক, ঘাঘু ও লুচ্চা আমলা, সুযোগসন্ধানী সাংবাদিক- সবাই যখন দেখল, এই একটা দল; যার কোনও নীতি-আদর্শ নেই, যে দলের একমাত্র মালকিন একজন ম্যাগেলোম্যানিয়াক মহিলা আর তাঁকে তেল মারলেই কামাইয়ের তোফা বন্দোবস্ত, তখন তারা দলটায় ঢুকে পড়ল।
টাকা মারার ব্যাপারে তৃণমূলের কোনও বাছবিচার ছিল না। ছোট-বড়-মাঝারি যে কোনও সরকারি প্রকল্প থেকে টাকা মারার যত রকমের ছিদ্র থাকতে পারে, খুঁজে বের করে কাটমানি খেয়েছে তৃণমূলের নেতারা। একশ দিনের কাজ, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, আবাস যোজনা, লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্পেও দরিদ্র বেনিফিশিয়ারিদের কাছ থেকে কাটমানি খেয়েছে এরা। ভুয়ো নাম, ভুয়ো তালিকা, ভুয়ো ডেটাবেস তৈরি করে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের যে ট্যাবস দেওয়া হত, সেখানেও ঘাপলা করেছেন তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের নেতারা। তিন লক্ষের বেশি পুরুষ লক্ষ্মীর ভান্ডার পেত! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। পিএসসি-র মতো প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও স্বচ্ছতাকে ধংস করেছে তৃণমূল। এমনকি শপিং মল সহ বিভিন্ন বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্বল্প বেতনে যে ছেলেমেয়েদের নিয়োগ করা হত, তাদের কাছ থেকেও টাকা খেত তৃণমূলের ছ্যাঁচ্চড় নেতারা।
জলাভূমি বুজিয়ে আবাসন নির্মাণ। সরকারি খাসজমি দখল করে বেচে দেওয়া। এক জমি পাঁচজনের কাছে বেচা। জোর করে অন্যের জমি-বাড়ি দখল। কোনটা বাদ রেখেছে তোলামূল? রাজ্যের যে কোনও এলাকায় জমি কিনতে হলে তৃণমূলের লোকদের টাকা দিতে হত। জমি বেচতে হলেও তৃণমূলের নেতাকে নজরানা দিতে হত। তৃণমূলের কাউন্সিলররা তো ছিলেন এক-একজন ডন। তাদের ভয়ে নাগরিকেরা সদা সন্ত্রস্ত থাকতেন। কলকাতা কর্পোরেশনের তৃণমূল কাউন্সিলরেরা পাঁচ বছরে দশ কোটি টাকা আয় করতেন। টিএমসিপি মানে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতাদের কচি বয়স। কাজেই গরম রক্ত। তারা শুধু কলেজ থেকে তোলা তুলেই সন্তুষ্ট থাকত না, কলেজ ক্যাম্পাসে খাট-তোষক বিছিয়ে মধুচন্দ্রিমাও যাপন করত।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, যেখানেই হাত দিচ্ছি পঁচা দুর্গন্ধ! তৃণমূলের জামানায় দুর্নীতির সংখ্যা এত ব্যাপক যে রাজ্যের সব জেল মিলিয়েও স্থান সংকুলান হবে না, তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের ভরার জন্য ব্রিগেডে জেলখানা বানাতে হবে। এমন কোনও সরকারি, আধাসরকারি ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান নেই, যা কলুষিত করতে বাকি রেখেছে তৃণমূল। ঠিকমতো অডিট হলে রাজ্যের সবকটা তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা ও কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান-মেয়রদের কোমরে দড়ি পড়বে। ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রতিটি স্তরে একই অবস্থা!
কর্মের ফল বলে একটা মহাবাক্য আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ সেটা পাচ্ছেন। প্রাসাদোপম বাড়ি ছেড়ে তৃণমূলের নেতানেত্রীরা পালিয়েছেন। এতদিন জনগণের গলায় পাড় দিয়ে টাকা বের করেছে তোলামূলের নেতারা। এবার মানুষ টাকা ফেরত চেয়ে তাদের বাসায় হামলা করছেন। কারও গণধোলাই জুটছে। পুলিশ গিয়ে জনরোষ থেকে বাঁচাচ্ছে। কাউকে মেরেধরে প্রায় ন্যাংটা করে পুলিশের হাতে তুলে দিচ্ছে জনতা। কোনও তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের হাত থেকে বাঁচতে খাটের তলায় ঢুকছে। কেউ পালিয়ে শাড়ির গোডাউনে আশ্রয় নিয়ে শাড়ির স্তূপের নীচে লুকোচ্ছ। কাউকে নর্দমার পাঁক থেকে তুলে আনছে পুলিশ। এরা জননেতা নয় নর্দমার কীট! মানুষ মুখ খুলতে শুরু করেছেন। এক-একজন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার স্বরূপ উন্মোচিত হচ্ছে। অরূপ বিশ্বাস লাপাতা। ভাই স্বরূপকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। স্বরূপ একটা লম্পট মাফিয়া। টালিগঞ্জের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে বাপের জমিদারি বানিয়ে ছিল স্বরূপ বিশ্বাস। শুধু ওর শয্যাসঙ্গিনী হতে রাজি হয় নি বলে টলিউডের অনেক মহিলা টেকনেশিয়ানকে ভাতে মেরেছে স্বরূপ।

মমতা সব জানতেন। জেনেও চুপ করেছিলেন। দলের নেতাদের ভ্রষ্টাচার, অনাচারকে প্রশ্রয় দিয়েছেন মমতা। ক্ষমতা হারানোর পর তাঁর বাড়ির সামনে দিয়েও চোর চোর বলে হাঁক পাড়তে পাড়তে মানুষ গেছেন। দেখে খারাপ লাগে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সম্মান তাঁর প্রাপ্য। কিন্তু নিজের কর্মদোষেই মমতাকে চোর চোর, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সবাই চোর শুনতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে মাফিয়া নেটওয়ার্কে পরিণত করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আইপ্যাক ছিল অভিষেকের দোসর। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন বিক্রি করেছেন অভিষেক। এখন তৃণমূলের লোকেরাই সব গুমোর ফাঁস করে দিচ্ছেন। কালীঘাট চত্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের নামে ৩৫টি প্লট ও ৩৯টি আবাসনের নাকি মালিকানা!
ক্ষমতা হারানোর মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নামক দলটা কার্যত উঠে গেছে। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জন ভাগলবা! এরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেতা বেছে নিয়ে পৃথক পরিষদীয় দল গঠন করেছে। বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকেই বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন। লোকসভায় এই মুহূর্তে তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ। সোমবার ২০ জন মমতার সঙ্গ ত্যাগ করে মোদীর এনডিএ-তে যোগ দিয়েছেন। ফিরহাদ হাকিম কলকাতার মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ববিরও মন নাকি এখন ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দেওয়ার জন্য আনচান করছে। কলকাতার ছোট লালবাড়ি কার্যত তৃণমূলের হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে। রাজ্য জুড়ে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাগুলিতে অচলাবস্থা চলছে। বহু কাউন্সিলর গ্রেফতারি এড়াতে রাজ্য ছেড়েই পালিয়ে গেছেন। পুরপ্রধানেরা দফতরে যাচ্ছেন না। অনেকেই বিজেপি নেতাদের পায়ে হত্যে দিয়ে পড়ে আছেন, যদি শুভেন্দু-শমীক দয়া করেন। শেষ পর্যন্ত ভাইপো ছাড়া আর কেউ মমতার সঙ্গে থাকেন কিনা সন্দেহ।
কথায় বলে ‘তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া’। মমতার সাধের তৃণমূল কংগ্রেস তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ল। ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা একটা শক্তিশালী রাজনৈতিক দল নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসের মধ্যে ভ্যানিস! ১৯৫২ সাল থেকে ভারতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের ৭৪ বছরের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এমন আজব কান্ড আগে কখনও ঘটেছে বলে মনে হয় না।
কথায় বলে ‘তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া’। মমতার সাধের তৃণমূল কংগ্রেস তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ল। ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা একটা শক্তিশালী রাজনৈতিক দল নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসের মধ্যে ভ্যানিস! ১৯৫২ সাল থেকে ভারতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের ৭৪ বছরের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এমন আজব কান্ড আগে কখনও ঘটেছে বলে মনে হয় না।
নীতি-আদর্শ হীন এই দলটা পলিটিক্যাল পার্টি থেকে একটা মাফিয়া চক্রে পরিণত হয়েছিল। মমতা ও অভিষেক কতগুলো আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত আইএএস ও আইপিএস ক্যাডারদের সাহায্যে মাফিয়া চক্রটা পরিচালনা করতেন। শেষ পাঁচ বছরে প্রত্যেকটা জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে চালাতেন সেই জেলার পুলিশের এসপি। তৃণমূলের জেলা সভাপতিরা ছিলেন নখদন্তহীন। মমতা ও অভিষেক পুলিশ সুপারদের কাছ থেকে ইনপুট নিয়ে দল চালাতেন। একটা রাজনৈতিক দলের কতটা পচন ধরলে দলটা এই জায়গায় এসে দাঁড়াতে পারে। তৃণমূলের বহু নেতা দল হারায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন। তাঁরা পিসি-ভাইপোর স্বেচ্ছাচার থেকে মুক্তি চাইছিলেন। ৪ মে জনতা জনার্দন তা এনে দিয়েছেন। তৃণমূল আর ফিরবে না। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে।
Feature graphic is representational and AI generated.
