ভয়কে পেরিয়ে গণতন্ত্রের জয়! ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিতেই হাসপাতাল থেকে বিজয়বার্তা দিলেন সোনম ওয়াংচুক


হাসপাতালের বিছানায় বসে ভিক্ট্রি সাইন দেখাচ্ছেন সোনম ওয়াংচুক। এক্স হ্যান্ডেল থেকে সংগৃহীত ফটো।

এক্স হ্যান্ডেলে সমাজকর্মী সোনম লিখেছেন—

এটি গণতন্ত্রের বিজয়।

এটি প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের বিজয়—যে গণতন্ত্রের শক্তি উঠে এসেছে সরাসরি রাজপথ থেকে, মানুষের কণ্ঠে।

এটি শান্তি, ধৈর্য, সাহস এবং অবিচল অধ্যবসায়ের জয়।

সিজেপিকে (CJP) এবং দেশের জেন-জি (Gen Z) প্রজন্মকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আর দেশের প্রতিটি নাগরিককে জানাই কৃতজ্ঞতা—ভয়কে, এমনকি ভয়ের ভয়কেও জয় করে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য।

এবার জবাবদিহির লড়াই থেকে এগিয়ে, প্রকৃত সংস্কারের পথে।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সহ একাধিক দাবিতে যন্তরমন্তরে ছাত্রদের আন্দোলনের সূত্রপাত গত ২০ জুন। আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ২৮ জুন থেকে অনশন শুরু করেন ওয়াংচুক। সোনমের স্বাস্থ্যের অবনতি হলে গত ১৮ জুলাই ভোরে তাঁকে ধর্নামঞ্চ থেকে তুলে সরকারি সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে দেয় দিল্লি পুলিশ। সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে অ্যাংমো হাইকোর্টে অভিযোগ করেন, সরকারি হাসপাতালে সোনমের চিকিৎসায় অবহেলা হচ্ছে। সোনমকে পছন্দের বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করতে চেয়ে বিচারপতিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন গীতাঞ্জলি।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পাওয়ার পর এক্স হ্যান্ডেলে লিখলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। এন‌এনডিসি গ্রাফিক্স।

দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে ওয়াংচুককে গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকেই অনশন চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। হাসপাতালে গিয়ে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। তাঁর উত্থাপিত সব দাবি মেনে নেওয়া হবে, দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এই আশ্বাস দেওয়ার পর ২৩ জুলাই রাতে তাঁদের হাতে স্যুপ খেয়ে ২৬ দিনের মাথায় অনশন ভাঙেন সোনম।

Feature image: AI generated sketch.


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nagariknewz.com