ফুল তুলতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে স্পর্শ, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু মহিলার


জলপাইগুড়ি : নিত্য সকালে পুজোর ফুল তোলেন তিনি। কিন্তু কে জানত মঙ্গলবার সকালে ফুলগাছ তলাতেই মৃত্যু অপেক্ষা করে আছে মানুষটির জন্য! জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন পাতকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের নাউয়াপাড়ার ঘটনা। সকালে ফুল তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেলেন আরতি দাস নামে বছর পঞ্চাশের এক মহিলা।

রাতে ঝড়বৃষ্টির সময় তারটি ছিঁড়ে পড়লেও বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় নি। কেন হয় নি, এটাই একটা বড় প্রশ্ন। বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন এলাকার মানুষ। রাতে তার ছিঁড়ে পড়লেও সকাল পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কেউ আসেন নি। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, অনেকবার খবর দেওয়ার পরেও বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা আসেন নি। রাতেই ঘটনাস্থলে এসে তারটি সরিয়ে নিলে অথবা লাইন থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে প্রাণহানি ঘটত না- এমনটাই মনে করছেন এলাকার বাসিন্দারা।

প্রতিদিন ভোরেই পুজোর‌ ফুল তোলেন আরতি দাস। এদিন‌ও ফুল তুলতে বেরিয়ে ছিলেন। বাড়ির পাশেই তার ছিঁড়ে ঝুলছিল। তারটি লক্ষ্যও করতে পারেন নি ওই মহিলা। আরতিদেবীর গলায় তারটির ছোঁয়া লাগা মাত্রই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। মুহুর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আরতি দাসের।

ফুল তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মহিলার মৃত্যু।

সকালের ঘটনা। কিন্তু খবর পেয়েও বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানি থেকে লোকজন আসে বেলা এগারটার দিকে। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা এলাকার বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুত বন্টন কোম্পানির তরফ থেকে অবশ্য গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।‌‌‌‌‌‌‌

ভিডিও-

Feature image is representational. Photo and video- reporter.


Leave a Reply

Your email address will not be published.